Uncategorized

যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে তার মতো করে ইতিহাস রচনা করে: রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়নের) সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, যখন যে সরকার বা দল ক্ষমতায় থাকে সে তার মতো করে ইতিহাস রচনা করে। ইতিহাস বিকৃত করার কারণে আমরা হয় দেবতা না হয় ইবলিশের কথা পাই। সাধারণ কোনও মানুষের কথা পাই না।

তিনি বলেন, পাঠ্য বইয়ে এখনও ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা হয়নি। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখ ও লজ্জাজনক।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাফে মোহাম্মদ ছড়া। এতে বক্তব্য রাখেন- থানার ওসি এ কে এম সফিকুল আলম চৌধুরী, উপজেলা জামায়াত আমির শাহজাহান ভূঁইয়া, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক আমিনুল ইসলাম ডালিম, সাংবাদিক আল-মামুন, সরকারি হাজি আব্দুল জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবির। স্বাগত বক্তব্য রাখেন- উপজেলা কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান।

বিএনপি কাকে কী ট্যাগ দিলো তাতে কিচ্ছু যায় আসে না বলে উল্লেখ করেছেন রুমিন ফারহানা। উন্নয়নের কথা বলায় আপনাকে আওয়ামী লীগ ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে- সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শনিবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। এ সময় তিনি বিএনপির উদ্দেশ্যে স্পষ্ট বার্তা দেন। এর আগে তিনি উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আন্তর্জাতিক শহীদ দিবসের আলোচনায় অংশ নেন।

শুক্রবার রাতে তাকে শহীদ মিনারে ফুল দিতে বাঁধা দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়টিকে বিএনপি যদি বিচ্ছিন্নভাবে, ইনগোর করতে চায় তাহলে তাদের জন্য ভালো হবে না। এটা আমার পরিষ্কার বার্তা।

তিনি আরও বলেন, একটা আসনে এই ধরনের অন্যায়কে প্রশ্রয় দিলে সব আসনেই সেটা ছড়িয়ে পড়বে। এতে সারা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি হবে।

জানা গেছে, শুক্রবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহীদ মিনারে ফুল দিতে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাধার মুখে ফুল না দিয়েই সেখান থেকে ফিরতে হয় রুমিন ফারহানাকে। এ অবস্থায় শনিবার তার আশুগঞ্জ আগমনকে কেন্দ্র করে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চাপা উত্তেজনা বিরাজ করে আশুগঞ্জে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বেলা ১১টায় শহীদ দিবসের আয়োজনে রুমিন ফারহানা অংশ নেওয়ার কথা। এ উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের দুই চার জনের আনাগোনা। ১০টা ৫৫ মিনিটে তিনটি গাড়িতে করে পুলিশ আসে। হেঁটে হেঁটে উপজেলা পরিষদের দিকে ঢোকেন জন ত্রিশেক পুলিশ। গোয়েন্দা পুলিশ ও আনসার সদস্যদেরকেও আসতে দেখা যায়। আসে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল। তবে সোয়া ১১টা নাগাদ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন বন্ধ ছিল। ২০-৩০ জন সাধারণ মানুষ ও কয়েকজন অফিসারকে দেখা যায়। বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা উপজেলা পরিষদে প্রবেশ করেন।

আশুগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হেনা মো. মোস্তফা রেজা জানান, সরাইলে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু এড়াতে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। থানার পাশাপাশি পুলিশ লাইন্স থেকেও পুলিশ এসেছে। এছাড়া ডিবি পুলিশ ও আনসার রয়েছে।




Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button