Uncategorized

জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে অপরাজিত থাকলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অপরাজেয় যাত্রা অব্যাহত রেখেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সুপার এইটে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ১০৭ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। বড় এই জয় নেট রান রেটেও স্বস্তি দিচ্ছে তাদের।

২৫৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে জিম্বাবুয়ে। ১৭.৪ ওভারে ১৪৭ রানে গুটিয়ে গেছে তারা।

সর্বোচ্চ  জুটি আসে দশম উইকেটে। রিচার্ড এনগারাভার সঙ্গে ১৯ বলে ৪৪ রানের জুটি গড়েন ব্র্যাড ইভান্স। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে ৪৩ রানে ফিরেছেন কিনি। তার লড়াই হারের ব্যবধানটা কমিয়েছে।

বল হাতে বড় অবদান রেখেছেন দুই স্পিনার আকিল হোসেন ও গুডাকেশ মোতি। মোতি উইকেট নিয়েছেন ৪টি, আকিল ৩টি।

এর আগে মুম্বাইয়ে শুরুতে টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠায় জিম্বাবুয়ে। যদিও তাতে লাভ হয়নি। উল্টো তাদের ওপর চড়াও হয়ে খেলেছেন ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। মূল তাণ্ডবটা চালান শিমরন হেটমায়ার। ৩৪ বলে ৮৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। তার ব্যাটিং তাণ্ডবে ৬ উইকেটে ২৫৪ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। যা টুর্নামেন্ট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ।

জিম্বাবুয়ে বোলারদের ওপর শুরু থেকেই চড়াও হন হেটমায়ার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এর চেয়ে বেশি রান আছে শুধু শ্রীলঙ্কার। ২০০৭ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে ৬ উইকেটে ২৬০ রান তুলেছিল লঙ্কানরা।

চলতি আসরে এর আগে সর্বোচ্চ ছিল আয়ারল্যান্ডের ৫ উইকেটে ২৩৫ রান,প্রতিপক্ষ ওমান।

১৭ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ক্রিজে নামেন বাঁহাতি হেটমায়ার। তার বিধ্বংসী ব্যাটিংই ইনিংসের গতি ঠিক করেছে। তবে তাতে ভাগ্যের স্পর্শও ছিল। ৯ রানে থাকা অবস্থায় তাশিঙ্গা মুসেকিওয়ার হাতে জীবন পান তিনি। যার খেসারত দিতে হয় জিম্বাবুয়েকে। সেই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে মাত্র ১৯ বলে ফিফটি পূরণ করেন হেটমায়ার। তার ইনিংসে ছিল পাঁচটি বিশাল ছক্কা ও চারটি চার।

৫৪ রানে শাই হোপের (১৪) আউটে দ্বিতীয় উইকেট পতনের পর রোভম্যান পাওয়েলের সঙ্গে জুটি বাঁধেন হেটমায়ার। মাত্র ৪৫ বলে দুজন মিলে গড়েন শতরানের জুটি। ১৫তম ওভারে দলীয় ১৭৬ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের আগে ৫২ বলে ১২২ রান যোগ করে এই জুটি।

৭০ রানে দ্বিতীয়বারের মতো জীবন পাওয়া হেটমায়ার শেষ পর্যন্ত আর রক্ষা পাননি। সাতটি ছক্কা ও সাতটি চারে ৮৫ রান করে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন তিনি। পাওয়েলও ঝড়ো ব্যাটিংয়ে করেন ৩৫ বলে ৫৯ রান। চারটি চার ও চারটি ছক্কায় সাজানো তার ইনিংস। শেষদিকে, শেরফানে রাদারফোর্ড ১৩ বলে অপরাজিত ৩১ রান করে দলকে ২০০ পার করান। রোমারিও শেফার্ড ১০ বলে ২১ এবং জেসন হোল্ডার মাত্র ৩ বলে ১৩ রান যোগ করে রেকর্ড সংগ্রহ গড়তে অবদান রাখেন।




Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button