হামজাদের বেতনের পাশাপাশি বাফুফে পাবে তিনটি স্টেডিয়াম

নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মঙ্গলবার বাফুফের সভাপতি তাবিথ আউয়ালের নেতৃত্বে কর্মকর্তারা দেখা করেছেন। সভায় ফুটবল উন্নয়নে দুই পক্ষ এগিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত পোষণ করেছে। এছাড়া ফুটবলকে এগিয়ে নিতে নানারকম প্রতিশ্রুতি মিলেছে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের কাছ থেকে। এর মধ্যে ফুটবলাররা সরকার থেকে বেতন প্রাপ্তির নিশ্চয়তা পেয়েছেন। এছাড়া বাফুফেকে ব্যবহার করার জন্য তিনটি স্টেডিয়ামও দেওয়া হচ্ছে।
আমিনুল হক বলেছেন, ‘পুরুষ এবং নারী সব ফুটবলারকে আমরা মাসিক স্থায়ী বেতন কাঠামোর ভেতরে আমরা অন্তর্ভুক্ত করবো।’
বাফুফে আগে থেকেই মাঠ চেয়েছিল। আজ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, ‘ফুটবল ফেডারেশন কিছু মাঠের বরাদ্দ আমাদের কাছে চেয়েছে। ইতোমধ্যে আলোচনা সাপেক্ষে তিনটি মাঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা ফুটবল ফেডারেশনের কাছে চুক্তির মাধ্যমে আমরা হস্তান্তর করবো। সেই মাঠগুলো হচ্ছে আমাদের কমলাপুর, সিলেট এবং চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম। এই তিনটি মাঠকে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির মাধ্যমে ফুটবল ফেডারেশনকে বরাদ্দ দিবো ইনশাহআল্লাহ। এটার গ্যালারি থেকে শুরু করে আর্থিক ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা কীভাবে আরও উন্নয়নশীল করা যায়, কীভাবে ভালো পরিবেশ তৈরি করা যায়, সেটা ফিফার থেকে একটি অনুদানের মাধ্যমে করা হবে।’
বয়সভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট করার জন্য ইতোমধ্যে ফুটবল ফেডারেশনের কাছ থেকে একটি ক্যালেন্ডার চাওয়া হয়েছে। জেলায় লিগ যেন সচল হয়, তা নিয়েই আলোচনা। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা শেষে বাফুফের সহ-সভাপতি নাসের শাহরিয়ার জাহেদী আশাবাদী কণ্ঠে বলেছেন, ‘আমরা পরামর্শ দিয়েছি, ঢাকার ভেতরে যেখানে যেখানে সম্ভব মাঠ… এবং বড় জায়গা না পাওয়া গেলে ফুটসালের জন্য জায়গা তৈরি করা। এটা উনি ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। জেলা পর্যায়ে আমরা বলেছি যে, সরকারের খাস জমি থেকে প্রতি জেলায় যদি একটা করে ফুটবল মাঠ দেওয়া যায়, পাঁচ-ছয় বিঘা জমি হলে একটা মাঠ করে ফেলা যায়… এটাও উনি ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন।’
বাফুফের সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের জায়গার জন্য প্রায় আট কোটি টাকা দরকার। প্রতীকী মূল্যে ফেডারেশনকে দেওয়ার জন্যে অনুরোধ করা হয়েছে। বাফুফের সহ-সভাপতি জানিয়েছেন, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট জায়গায় এ নিয়ে কথা বলবেন।



