Uncategorized

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. মোস্তাকুর রহমান। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

উপসচিব মোহাম্মদ বরাউল হাছান মজুমদার প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২-এর ১০(৫) ধারা অনুযায়ী মোস্তাকুর রহমানকে অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য গভর্নর পদে নিয়োগ দেওয়া হলো।

এতে আরও বলা হয়, গভর্নর পদে দায়িত্ব পালনকালে সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তিনি বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেই নেবেন। নিয়োগ সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

১৯৬৬ সালের ১২ মে জন্ম নেওয়া মোস্তাকুর রহমান একজন স্বীকৃত কস্ট ও ব্যবস্থাপনা হিসাববিদ। তিনি ১৯৯২ সালে ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ থেকে সনদ অর্জন করেন। আর ১৯৮৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক এবং ১৯৮৮ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

পেশাজীবনে তাঁর রয়েছে তিন দশকের বেশি অভিজ্ঞতা। আর্থিক ব্যবস্থাপনা, রফতানি অর্থনীতি, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন, মূলধন কাঠামো ও তারল্য ব্যবস্থাপনায় তিনি সুদীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছেন।

মোস্তাকুর রহমান দেশের শীর্ষ শিল্প ও বাণিজ্য সংগঠনগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত। তিনি বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য এবং বাংলাদেশ ব্যাংক সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন। এছাড়া তিনি রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন। 

নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানের সামনে রয়েছে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ, তারল্য সংকট মোকাবিলা, আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, তাঁর দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা ও নীতিনিষ্ঠ অবস্থান দেশের ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা ও আস্থা পুনর্গঠনে সহায়ক হবে।




Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button