Uncategorized

দিনদুপুরে ছুরিকাঘাতে যুবককে হত্যা, ‘মূল আসামি’ গ্রেফতার

রাজশাহীতে পূর্বশত্রুতার জেরে দিনদুপুরে বাড়ির সামনে ছুরিকাঘাতে মো. সাব্বির (২২) নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনায় মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামি হলেন মহানগরীর শাহ মখদুম থানার পবা রাইস মিল পাড়ার আমিরুল ইসলামের ছেলে রবিউল ইসলাম ওরফে জাসন (২৫)।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রাত সাড়ে ৯টার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. গাজিউর রহমান। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সাব্বির হত্যার মূল আসামি জাসনকে কিছুক্ষণ আগে শাহমখদুম থানা পুলিশ চর খিদিরপুর থেকে গ্রেফতার করেছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে আদালতে হাজির করা হবে।’

এর আগে বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে রাইস মিল পাড়ায় বাড়ির সামনে হত্যাকাণ্ড ঘটে। সাব্বিরের হত্যাকারীকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় লোকজন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নগরীর সপুরা এলাকার টিটিসির সামনের সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করেন তারা। এ সময় মূল আসামিকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন। তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে সড়কে জ্বালানো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করে সড়ক ছেড়ে দেন স্থানীয় লোকজন।

স্থানীয় লোকজন জানান, জাসনের মা শিরিন বেগম তার আধা কাঠা জমি সাব্বিরের বাবা শাহিনের কাছে বিক্রি করেছেন। এই জমি কেনার কারণেই শাহিন ও তার পরিবারের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন জাসন। মঙ্গলবার শাহিনকে মারধর করেন। বুধবার দুপুরে বাড়ির সামনে সাব্বিরকে পেয়ে বুকে ছুরি মেরে পালিয়ে যান। পরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সাব্বির তার বাবার খাবারের হোটেলে কাজ করতেন। 

শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন। ইতিমধ্যে মূল আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

 




Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button