Uncategorized

বাঁচা-মরার ম্যাচে যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের রাসায়নিক ব্যবহার করছে ভারত!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে বাঁচা-মরার ম্যাচে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হচ্ছে ভারত। সেমিফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে এই ম্যাচ জিততেই হবে সূর্যকুমার যাদবের দলকে।

সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৭৬ রানে হারের পর চাপে পড়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। সেমিফাইনালে যেতে হলে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাকি দুই ম্যাচই জিততে হবে তাদের। পাশাপাশি অন্য ম্যাচের ফলও তাদের অনুকূলে আসতে হবে। অর্থাৎ এখন আর কোনও ভুলের সুযোগ নেই ভারতের সামনে। 

রাতের (সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা) ম্যাচ হওয়ায় চেন্নাইয়ের চিপকের উইকেটে শিশির বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে। এ সময় দ্বিতীয় ইনিংসে প্রচুর শিশির পড়ে, ফলে ব্যাটিং সহজ হলেও বোলিং হয়ে পড়ে কঠিন।

আর তাই ম্যাচের ভারসাম্য রাখতে স্টেডিয়ামে এবার ব্যবহার করা হচ্ছে ‘ডিউ কিউর’ নামের একটি নতুন রাসায়নিক। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আনা এই রাসায়নিক মঙ্গলবার ও বুধবার মাঠে স্প্রে করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালেও তা প্রয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে রাতের ম্যাচে শিশিরের প্রভাব কমানো যায়।

ম্যাচের সময় আর্দ্রতা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। ফলে দ্বিতীয় ইনিংসের মাঝামাঝি সময়ে আউটফিল্ড পিচ্ছিল হয়ে যাওয়া এবং বল ভিজে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ঐতিহ্যগতভাবে চিপকের উইকেট স্পিনারদের জন্য সহায়ক। বল গ্রিপ করে, টার্ন নেয়। যে কারণে ধৈর্য লাগে ব্যাটিংয়ে। তবে ঘাসে আর্দ্রতা জমে গেলে এবং সাদা বল স্কিড করতে শুরু করলে সেই সুবিধা কমে যায়। তখন ভুলের সুযোগ কমে বোলারদের জন্যই! এমন প্রেক্ষাপটে টস হয়ে উঠতে পারে বড় ফ্যাক্টর। আলোতে চেন্নাইয়ে সাধারণত অধিনায়কেরা রান তাড়া করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, বিশেষ করে ভারী শিশিরের সম্ভাবনা থাকলে। ভেজা বল নিয়ে লক্ষ্য ডিফেন্ড করা ভিন্ন চ্যালেঞ্জ। কারণ, বলে গ্রিপ ঠিক থাকে না, স্লোয়ার বলও কার্যকারিতা হারায়। তাতে করে ইয়র্কার করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

 




Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button