তারেক রহমানের কাছে বুয়ার দাবি পৌঁছালেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

নিজেদের নির্বাচনি ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ডের বিষয়টি তুলেছিলো বিএনপি। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বেশ সদিচ্ছা দেখাচ্ছে দলটি। ইতোমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ প্রাথমিকভাবে ১৪ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড চালু করতে যাচ্ছে সরকার।
নির্বাচনে জেতার জন্য ফ্যামিলি কার্ড বিষয়টি বিএনপির ভালো কৌশল ছিল বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। এ কথা খোদ প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, “বাসার বুয়া প্রতিদিন ফ্যামিলি কার্ড চায়।”
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে এসব তথ্য জানান নাসীরুদ্দীন।
ওই পোস্টে এনসিপির মূখ্য সমন্বয়ক লেখেন, “আজকের জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিলে সব রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ইফতার পরিবেশনকারী কর্মী এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যদের সঙ্গে মুসাফাহ করার চেষ্টা করেছি। কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথন-
জামায়াতে ইসলামীর আমীরকে বললাম, ‘আমার জন্য দোয়া করবেন।’ তিনি বললেন, ‘তোমার জন্য দোয়া ও দাওয়াহ দুইটাই রইলো।’
“প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বললাম, ‘বাসার বুয়া প্রতিদিন ফ্যামিলি কার্ড চায়। এটা নির্বাচনে জেতার ভালো কৌশল ছিলো।’ তিনি বললেন, ‘এটা শুরু করেছি, খুব শিগগিরই সারা বাংলাদেশে চালু হবে’।”
জামায়াতের ইফতারের প্রসঙ্গ টেনে নাসীরুদ্দীন লেখেন, “মঈন খানকে জিজ্ঞেস করলাম, কেমন আছেন? তিনি বললেন, ভালো আছি, বাসায় আসবেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন ভাইকে বললাম, শহীদ ওসমান হাদী ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত করবেন। তিনি বললেন, সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে সময় লাগবে।”
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন নাসীরুদ্দীর পাটওয়ারী। ওই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন মির্জা আব্বাস। বিএনপির এ শীর্ষ নেতার প্রসঙ্গও ফেসবুক পোস্টে টেনেছেন এনসিপির এ নেতা। লেখেন, “আব্বাস ভাইকেও বললাম, ছোট ভাইয়ের সঙ্গে এগুলো না করলেও পারতেন এবং তাকে আমার বাসায় ইফতারের দাওয়াত দিলাম। ইফতার শেষে একই টেবিলে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় আব্বাস ভাই বললেন, দুষ্টুমি করবা না। জবাবে বললাম, ছোট ভাইয়ের সিট এভাবে কেড়ে না নিয়ে ছেড়ে দিলেও পারতেন।”
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পোস্টটি ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। সেটিতে রিয়্যাক্ট পড়েছে আড়াই লাখেরও বেশি। কমেন্ট পড়েছে প্রায় ২৭ হাজার। শেয়ার হয়েছে ২৪ হাজারেরও বেশি।



