সিডনির মতো এমন মাঠ দেশে না থাকায় আফসোস

সিডনির জুবিলি স্টেডিয়ামে ফুটবল ও রাগবি দুটোই হয়। অপেক্ষাকৃত ছোট আকৃতির স্টেডিয়ামের চারপাশ দেখতে অতুলনীয়। মাঠের ভেতরের অবস্থা দেখে তো অনেকেই অবাক। নারী এশিয়ান কাপের মূল লড়াইয়ে নামার আগে এখানে শনিবারও ঘাম ঝরিয়েছেন ঋতুপর্ণা-শিউলিরা। তাই দেশে এমন মাঠ না দেখে তাদের আফসোস যেন বাড়ছেই।
দেশে থাকতে মেয়েরা জাতীয় স্টেডিয়াম কিংবা কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের টার্ফে অনুশীলন করে থাকে। এবার কিছু দিন অনুশীলন হয়েছে চট্টগ্রামের কোরিয়ান ইপিজেডেও; তবে তা জুবিলি স্টেডিয়ামের মানের নয়।
এ নিয়ে ডিফেন্ডার শিউলি আজিম আক্ষেপের সুরে বলেছেন, ‘এখানকার সুযোগ-সুবিধা সব ভালো। বিশেষ করে মাঠের কথা বলবো, মাঠ কতটা ভালো বলে বোঝানো যাবে না। আমাদের দেশে এমন মাঠ থাকলে হয়তো আরও ভালো প্রস্তুতি নিতে পারতাম আমরা। আমাদের দেশের তুলনায় এ দেশের সব মাঠই ভালো।’
এর আগে ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সের অনুশীলন মাঠেও প্রীতি ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়েছে শিউলিদের, ‘ক্লোজডোর’-এ হওয়া ওই ম্যাচে স্বাগতিক দলটিকে ১-১ ড্রয়ে রুখে দেয় তারা। ওই প্রীতি ম্যাচের ভুলগুলো শুধরে নিচ্ছে সবাই। টানা দুটি সাফ জয়ী এই ডিফেন্ডার বলেছেন, ‘আশা করি, আমরা আমাদের সর্বোচ্চটা দিতে পারবো। আমরা এখানে আসার পর একটা ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছি। ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে, সেখানে যে ঘাটতি আর ভুলগুলো ছিল সেগুলো নিয়ে কোচ কাজ করছেন।’
ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের অভিজ্ঞতা টেনে শিউলি বললেন, ‘মেয়েদের বিশ্বকাপে খেলা একটি দেশের (অস্ট্রেলিয়া) ক্লাব দলের বিপক্ষে নিজেদের শক্তি যাচাই করার সুযোগ পাওয়া আমাদের জন্য ছিল দারুণ অভিজ্ঞতা। রক্ষণভাগের যে ভুলগুলো ধরা পড়েছিল, গত কয়েক দিনের অনুশীলনে সেগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছি আমরা।’



