খামেনি নিহতের পর ইরানি নেতাদের সঙ্গে আলোচনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহতের এক দিন পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানি নেতাদের সঙ্গে ‘কথা বলবেন’। তবে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের বড় একটি অংশ ইতোমধ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়ায় আলোচনার সময় ও প্রেক্ষাপট নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।
ট্রাম্পকে উদ্ধৃত করে মার্কিন সাময়িকী দ্য আটলান্টিক লিখেছে, তারা কথা বলতে চায় এবং আমিও কথা বলতে রাজি হয়েছি। তাই আমি তাদের সঙ্গে কথা বলব। তাদের এটি আরও আগেই করা উচিত ছিল।
ট্রাম্প আরও বলেছেন যা অত্যন্ত বাস্তবসম্মত এবং সহজ ছিল, তা তাদের অনেক আগেই করা উচিত ছিল। তারা অনেক বেশি দেরি করে ফেলেছে।
তবে এই আলোচনা ঠিক কখন হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আমি এখনই আপনাকে তা বলতে পারছি না।
ইরানে শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলা শুরু করেছে। ওই হামলায় নিজস্ব কম্পাউন্ডে থাকা অবস্থায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হন। খামেনেয়ি নিহতের পর এখন পর্যন্ত তার কোনও উত্তরসূরি নিযুক্ত করা হয়নি। এমন এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতেই ট্রাম্প আলোচনার এই ইঙ্গিত দিলেন।
তবে ট্রাম্প নির্দিষ্ট করে বলেননি যে তার প্রশাসন ঠিক কোন নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, অতীতে যাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল, তাদের অনেকেই ইতোমধ্যে নিহত হয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, সেই ব্যক্তিদের অধিকাংশই এখন আর নেই। আমরা যাদের সঙ্গে আলোচনা করছিলাম, তাদের কেউ কেউ মারা গেছেন। কারণ, সেটি (হামলা) ছিল বিশাল, এক বিশাল আঘাত।
তিনি আরও বলেন, মাইকেল, তাদের এটি আরও আগেই করা উচিত ছিল। তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারত। তাদের অনেক আগেই এটি করা উচিত ছিল। তারা বড্ড বেশি চাতুর্য দেখিয়ে ফেলেছে।
এর আগে তিনি ফক্স নিউজের এক সাংবাদিককে বলেছিলেন যে, ইরান ও ইসরায়েলের চলমান হামলায় এ পর্যন্ত ৪৮ জন ইরানি নেতা নিহত হয়েছেন।
সূত্র: সিএনএন



