Uncategorized

পাচার থেকে ফেরত আসা নারীদের উদ্যোক্তা করার উদ্যোগ এসএমই ফাউন্ডেশনের

মানবপাচার থেকে ফেরত আসা নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে যৌথ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করবে এসএমই ফাউন্ডেশন ও উইনরক ইন্টারন্যাশনাল।  সোমবার (২ মার্চ) দুই সংস্থার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।

এসএমই ফাউন্ডেশনের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনালের পক্ষে কান্ট্রি ডিরেক্টর দীপ্তা রক্ষিত সমঝোতা স্মারকে  সই করেন। অনুষ্ঠানে এসএমই ফাউন্ডেশনের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারজানা খান ও নাজিম হাসান সাত্তার এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনালের পলিসি অ্যাডভোকেসি স্পেশালিস্ট ও সিনিয়র ম্যানেজার (এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট) মো. গোলাম ফজলে রাব্বানী উপস্থিত ছিলেন।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, মানবপাচার ফেরত নারীদের জন্য পাঁচটি প্রধান ক্ষেত্রে যৌথ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এগুলো হলো—দক্ষতা উন্নয়ন, পণ্যের বাজারজাতকরণে সহায়তা, অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টি, সরকারি সহায়তা সহজলভ্য করা এবং একটি টেকসই সহায়তা মডেল গড়ে তোলা।

এ উদ্যোগের আওতায় ব্যবসা উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ, উৎপাদিত পণ্যের জন্য ক্রেতা-উদ্যোক্তা সংযোগ স্থাপন, মেলা আয়োজন, ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস তৈরি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করবে দুই সংস্থা। পাশাপাশি দেশের এসএমই উন্নয়ন কাঠামো ও সরকারি নীতি সহায়তার আওতায় এসব নারীকে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, সারা দেশে মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে এসএমই ফাউন্ডেশন বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি প্রান্তিক নারী উদ্যোক্তাকে সেবার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অবদান প্রায় ৩০ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশের প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় ৯৯ শতাংশই কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) প্রতিষ্ঠান। শিল্প খাতের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫ শতাংশ এ খাতে, যেখানে কর্মরত আছেন তিন কোটির বেশি মানুষ।

২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা এসএমই ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা উপকৃত হয়েছেন, যাদের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশই নারী। সরকারের জাতীয় শিল্পনীতি, এসএমই নীতিমালা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে সংস্থাটি বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।




Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button