Uncategorized

ইউএনজিএ সভাপতি পদে বাংলাদেশকে সমর্থন দেবে তুরস্ক

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশকে সমর্থন দেবে তুরস্ক।  ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন সোমবার (৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলা‌মের সঙ্গে এক বৈঠকে এই সমর্থনের কথা জানান।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত রামিস সেন প্রতিমন্ত্রীকে তার সাম্প্রতিক নিয়োগের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও অংশীদারত্ব আরও গভীর করার জন্য তুরস্কের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর জোর দেন, যা অভিন্ন মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি এবং গভীরভাবে প্রোথিত সভ্যতাগত বন্ধনে নিহিত।

বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদারে আলোচনা করা হয়। উভয়পক্ষ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ইতিবাচক গতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ বৃদ্ধির অভিন্ন লক্ষ্যের ওপর জোর দেয়।

প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে তুরস্কের বৃহত্তর বিনিয়োগকে স্বাগত জানান এবং এই ধরনের সম্পৃক্ততা সহজতর করার জন্য প্রস্তুতি নেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার কথাও তুলে ধরেন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতায় অব্যাহত সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশকে ধারাবাহিকভাবে সমর্থন করার জন্য তুর্কি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, তুর্কি মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। প্রতিমন্ত্রী ২০২৬-২০২৭ মেয়াদে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতার জন্য তুর্কির সমর্থন কামনা করেন।

রাষ্ট্রদূত রামিস সেন জানান, তুর্কি বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি তার সমর্থন দেবে।

প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ এবং তুরস্কের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত সম্পৃক্ততাকে স্বাগত জানান এবং দেশে তুর্কি সংস্কৃতির জনপ্রিয়তা তুলে ধরেন। তিনি তুর্কি ঐতিহ্যকে আরও প্রচারের জন্য বাংলাদেশে একটি পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।

প্রতি উত্তরে তুর্কি রাষ্ট্রদূত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনূস এমরে ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার জন্য বিদ্যমান প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান এই উদ্যোগটি ধীরে ধীরে সম্প্রসারিত হতে পারে। প্রাথমিকভাবে একটি ভাষা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট হিসেবে শুরু এবং ভবিষ্যতে এটি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে রূপান্তরিত হতে পারে।




Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button