হামলা চালিয়ে পুলিশের অস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনায় এএসআই প্রত্যাহার

নারায়ণগঞ্জে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) কাছ থেকে পিস্তল ছিনতাইয়ের ঘটনায় তাকে ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় এক ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার নাম মো. মিশাল ওরফে বিশাল (৩০)। তার তথ্য অনুযায়ী, ২টি ম্যাগাজিন, ১৬টি গুলিসহ পিস্তলটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অন্য দুই ছিনতাইকারী এখনও পলাতক।
বুধবার এএসআই লুৎফর রহমানকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। তিনি শীতলক্ষ্যা পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দায়িত্ব পালনকালে অস্ত্র খোয়া যাওয়ার ঘটনায় এএসআইকে ক্লোজড করা হয়েছে। মামলার অপর দুই আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের নিতাইগঞ্জ এলাকায় দায়িত্ব পালনের সময় শীতলক্ষ্যা পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই লুৎফর রহমানের ওপর হামলা চালায় মোটরসাইকেলে আসা তিন ছিনতাইকারী। তারা এএসআইয়ের ব্যবহৃত গুলিভর্তি পিস্তলটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক দল সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ওই দিন সন্ধ্যায় মিশালকে গ্রেফতার করে। সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে অভিযানকালে মিশালের দেখানো মতে বন্দর উপজেলার উইলসন রোড এলাকার জনৈক শরিফ উদ্দিনের বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বস্তার ভেতরে কাপড়ে শপিং ব্যাগে মোড়ানো অবস্থায় ছিনতাই হওয়া পিস্তলটি উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া একটি চাপাতি, একটি ছোরা এবং একটি বড় চাকু উদ্ধার করা হয়। ওই দিন রাতে অস্ত্র ও গুলি ছিনতাইয়ের ঘটনায় এএসআই লুৎফর রহমান বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে দস্যুতার অভিযোগে মামলা করেন। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় অস্ত্র আইনে আরও একটি মামলা করা হয়েছে।



