মাতৃভূমি গ্রুপের নেতৃত্বে জহিরুল ইসলাম

দেশের অন্যতম বহুমুখী শিল্পগোষ্ঠী মাতৃভূমি গ্রুপের শুরু হলো নতুন এক অধ্যায়। গ্রুপটির অন্যতম মালিক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম মাতৃভূমি হার্ট কেয়ার ও মাতৃভূমি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। পাশাপাশি তিনি মাতৃভূমি গ্রুপের ডিরেক্টর ও মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস পদেও দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রুপের ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ ও কৌশলগত উন্নয়নের লক্ষ্য সামনে রেখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানের ভিশন ও পরিকল্পনা প্রণয়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসা জহিরুল ইসলামের ওপর নতুন দায়িত্ব অর্পণকে সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
মাতৃভূমি গ্রুপ বর্তমানে ছয়টি কনসার্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন খাতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এগুলো হলো, মাতৃভূমি হার্ট কেয়ার, মাতৃভূমি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস লিমিটেড, মাতৃভূমি হোল্ডিংস লিমিটেড, বাংলাদেশ লাক্সারি হ্যান্ডিক্রাফটস লিমিটেড, মাতৃভূমি সিটি এবং মাতৃভূমি গ্র্যান্ড রিসোর্ট অ্যান্ড হোটেল। স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন, রিয়েল এস্টেট, আতিথেয়তা, উৎপাদন ও বিনিয়োগ খাতে গ্রুপটি ইতোমধ্যে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।
মাতৃভূমি হার্ট কেয়ার বিশেষায়িত কার্ডিয়াক সেবাকে আরও উন্নত ও সহজলভ্য করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। অন্যদিকে মাতৃভূমি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস লিমিটেড দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটন সেবায় নির্ভরযোগ্যতা ও মান নিশ্চিত করার উদ্যোগ জোরদার করেছে। নতুন নেতৃত্বে এই দুই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
পরিচালক, মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস হিসেবে জহিরুল ইসলাম গ্রুপের সব কনসার্ন প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ডিং, বাজার সম্প্রসারণ ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব গঠনে নেতৃত্ব দেবেন।
ব্যবসায়িক বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক বিপণন কৌশল ও ডিজিটাল যোগাযোগে তাঁর দক্ষতা গ্রুপের সামগ্রিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। তিনি ইগনাইট গ্লোবাল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। যুব উন্নয়ন, শিক্ষা, জলবায়ু সচেতনতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে ফাউন্ডেশনটির বিভিন্ন কর্মসূচি ইতোমধ্যে প্রশংসিত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, নতুন এ দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে মাতৃভূমি গ্রুপ আরও সুসংগঠিত ও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাবে।



