Uncategorized

বিএনপি ও যুবদল নেতার বিরুদ্ধে টিএস আইয়ুবের অনুসারীদের ঝাড়ু মিছিল

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ঢাকা দক্ষিণ যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগের বিরুদ্ধে যশোরের বাঘারপাড়ায় ঝাড়ু মিছিল হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পৌর শহরে কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টি এস আইয়ুবের অনুসারীরা একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি পৌর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ বিএনপি নেতা টি এস আইয়ুবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন। কাজল টাকা-পয়সা খেয়ে দুর্নীতি করে মামলায় ষড়যন্ত্রে টি এস আইয়ুবের মনোনয়ন বাতিল করেছে। সেই কারণে বাঘারপাড়াবাসী ফুঁসে উঠেছে। মনোনয়ন সঠিক না হওয়ার কারণে বিএনপি আসনটি হারিয়েছে। উপজেলায় দলীয় ঐক্য নষ্ট ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাজল ও সোহাগের বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে কঠোর আন্দোলন করার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

নেতাকর্মীরা জানান, বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপি দুটি গ্রুপিংয়ে বিভক্ত। একটির পক্ষের নেতৃত্ব দেন কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার টি এস আইয়ুব ও অন্যটি পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই মনা। সম্প্রতি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আসনটিতে দলীয় মনোনয়ন পান টি এস আইয়ুব। কিন্তু নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপির দায়ে তার মনোনয়ন বাতিল করলে; দল মনোনয়ন পরিবর্তন করে দেন অভয়নগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মতিয়ার ফরাজীকে। নির্বাচনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে দলের প্রার্থী জামায়াতের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন।

আইয়ুব পক্ষের ভাষ্য, টি এস আইয়ুবকে ঋণখেলাপিতে মনোনয়ন বাতিল করতে নেপথ্যের কারিগর ছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও অ্যাডভোকেট নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ। ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে তার অনুসারীরা ঝাড়ু মিছিল করে দলীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন।

এই বিষয়ে নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ বলেন, ‘আমাদের নিয়ে অবমাননাকর মিছিল করিয়েছে টি এস আইয়ুব। ঢাকা ব্যাংকের ঋণ খেলাপির তালিকায় থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়। সেই মামলায় ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ঢাকা ব্যাংকের হয়ে লড়েছেন। আর আমার অপরাধ আমি কাজলের সহকারী আইনজীবী ও আসনটির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলাম। টি এস আইয়ুবের ইন্ধনে দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি ও জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

এই বিষয়ে টিএস আইয়ুবের মোবাইল ফোনে কয়েক দফা কল দেওয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।




Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button