ক্যান্ডিতে আজ ইংল্যান্ড-পাকিস্তানের স্পিন লড়াই

সেমিফাইনালের লক্ষ্য নিয়ে আজ মঙ্গলবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে মাঠে নামছে পাকিস্তান ও ইংল্যান্ড। ক্যান্ডির পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটা মাঠে গড়াবে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে। দেখাবে টি স্পোর্টস ও নাগরিক টিভি। শেষ চারের দৌড়ে টিকে থাকতে দুই দলের জন্যই ম্যাচটি হয়ে উঠেছে কার্যত বাঁচা-মরার।
ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত ছন্দে ফিরলেও সেটা পুরোপুরি নিশ্চয়তা দিতে পারছে না। এখনও উন্নতি করার জায়গা আছে। বিশেষ করে হ্যারি ব্রুকের দল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৯ উইকেটে ১৪৬ রানের সাধারণ সংগ্রহ গড়েও শেষ পর্যন্ত বোলিং নৈপুণ্যে লঙ্কানদের ৯৫ রানে অলআউট করে ৫১ রানের দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে। আরেকবার ব্যাটিং ব্যর্থতা ঢেকে দিয়েছেন বোলাররা। পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই মাথা ব্যথার কারণ ছিল ব্যাটিং।
জোফরা আর্চারের গতি, আদিল রশিদের স্পিন ভেলকি আর উইল জ্যাকসের বৈচিত্র্য— এমন বোলিং আক্রমণ নিয়েই মূলত কম রান করেও সেটা ডিফেন্ড করতে পারছে ইংল্যান্ড। আজ জিততে পারলে ইংলিশরা এক ম্যাচ হাতে রেখেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করবে।
অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় চাপে রয়েছে পাকিস্তান। ফলে দ্বিতীয় ম্যাচে ভুলের আর সুযোগ নেই। তাই পরিকল্পনাও স্পষ্ট- ইংল্যান্ডের নড়বড়ে ব্যাটিং লাইনআপকে স্পিন আক্রমণ দিয়ে সামলাতে হবে।
এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের স্পিনাররা ২৬ উইকেট নিয়েছেন। যা পেসারদের তুলনায় অনেক বেশি। দলে আবরার আহমেদের সম্ভাব্য অন্তর্ভুক্তি সেই স্পিন ভাণ্ডারকে আরও সমৃদ্ধ করবে। তার ওপর আগের ম্যাচে স্পিনের বিপক্ষে ইংল্যান্ড ব্যাটারদের ভোগার বিষয়টিও কাজে লাগাতে চাইবে পাকিস্তান। লঙ্কানদের বিপক্ষে সেই ম্যাচে বল গ্রিপ করেছে, অনেক টার্নও দেখা গেছে। তবে ডসন ও জ্যাকব বেথেলের মতো বাঁহাতি বিকল্প থাকায় ইংল্যান্ডের ভাণ্ডারও কম সমৃদ্ধ নয়। ফলে দুই দলের লড়াই রূপ নিতে পারে স্পিননির্ভর কৌশলের খেলায়। অতীত ইতিহাসও ইংল্যান্ডের পক্ষে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখনও ইংল্যান্ডকে হারাতে পারেনি পাকিস্তান। এবার কি সেই ইতিহাস বদলাবে?



