রাজনৈতিক হয়রানিমূলক ১২০২ মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন

বিগত সরকারের গত ১৭ বছরে বিরোধী দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক আরও ১ হাজার ২০২টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এর আগে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১ হাজার ৬টি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। নতুন করে আরও ১ হাজার ২০২টি মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
তিনি জানান, মামলা প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে হত্যা, মাদক, অস্ত্র, বিস্ফোরক এবং নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলাগুলো বাদ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক মামলাগুলোই বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আরও কিছু রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট মামলাগুলো প্রকৃত অর্থে রাজনৈতিক কিনা, তা সতর্কতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হবে।” অপব্যবহার রোধে একটি যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দায়ের করা মামলাগুলো নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ওই সময়ের পর দায়ের করা কিছু মামলায় ব্যক্তিগত সুবিধা হাসিলের উদ্দেশ্যে নিরীহ ও সাধারণ মানুষকে আসামি করা হয়েছে। কিছু সুবিধাবাদী গোষ্ঠী এসব মামলা করেছে, যা সরকারের নজরে এসেছে।”
তিনি বলেন, “এসব মামলা যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা হবে। সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। কেউ যেন অহেতুক হয়রানিমূলক মামলার শিকার না হন, সে বিষয়ে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”


