জিম্বাবুয়ের বিদায়, ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচটা এখন ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আশা জিইয়ে রেখেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত। চেন্নাইয়ে জিম্বাবুয়েকে ৭২ রানে হারিয়েছে তারা। তাতে জিম্বাবুয়ের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে। এখন রবিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভারতের ম্যাচটা ভার্চুয়াল কোয়ার্টার ফাইনালে পরিণত হয়েছে। ভারতের এই জয়ে আবার গ্রুপ ওয়ান থেকে এক ম্যাচ হাতে রেখে সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকারও। যারা দিনের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯ উইকেটে হারিয়ে শতভাগ জয়ের রেকর্ড অক্ষুণ্ন রেখেছে।
গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থাকা জিম্বাবুয়ে এদিন সুপার এইটে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ২৫০–এর বেশি রান হজম করেছে। চেন্নাইয়ে টস হেরে ব্যাট করতে নামা ভারতের ইনিংস থামে ৪ উইকেটে ২৫৬ রানে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। ২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেটে ২৬০ রান সংগ্রহ গড়েছিল। এটাই সর্বোচ্চ।
ভারতের হয়ে ওপেনার অভিষেক শর্মা ৩০ বলে চারটি চার ও চারটি ছক্কায় সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেছেন। অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া ২৩ বলে পূরণ করেন অপরাজিত ফিফটি। তাও আবার সেটা করেছেন ইনিংসের শেষ বলে ছক্কা মেরে। পান্ডিয়ার ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ৪টি ছয়। তিলক বর্মা ১৬ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় খেলেছেন অপরাজিত ৪৪ রানের ঝড়ো ইনিংস।
মূলত ভারতের বড় সংগ্রহে ৬ ব্যাটারের সম্মিলিত অবদান ভূমিকা রাখে। তাদের ইনিংস স্থায়ী ছিল ১৫ কিংবা ৩০ বল। কিন্তু তাদের স্ট্রাইক রেট ছিল অবিশ্বাস্য- ১৫৮.৩৩ থেকে ২৭৫! ছক্কাও হাঁকিয়েছেন মোট ১৭টি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক ইনিংসে যা ভারতের সর্বোচ্চ।
২৫৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ের ওপেনার ব্রায়ান বেনেট-ই একা লড়াই করেছেন। তাও আবার আধিপত্য দেখিয়ে। ৫৯ বলে ৮ চার ও ৬ ছক্কায় অপরাজিত ৯৭ রান করেন তিনি। টুর্নামেন্টে তুলে নেন নিজের তৃতীয় ফিফটি।
২২ বছর বয়সী বেনেট ৩৪ বলে ফিফটির দেখা পেয়েছেন। যদিও যোগ্য সঙ্গী না পাওয়ায় তার ইনিংস বৃথা গেছে। শুধু হারের ব্যবধান কমিয়েছে মাত্র। সিকান্দার রাজা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ বলে খেলেছেন ৩১ রানের ইনিংস। শেষ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ে ৬ উইকেটে করেছে ১৮৪ রান।
ভারতের হয়ে ২৪ রানে ৩টি উইকেটনেন আরশদীপ সিং। একটি করে নেন বরুণ চক্রবর্তী, অক্ষর প্যাটেল ও শিবম দুবে।
পয়েন্ট টেবিলে গ্রুপ-১-এ ওয়েস্ট ইন্ডিজের সমান দুই পয়েন্ট এখন ভারতের। তাই সমীকরণ পরিষ্কার- রবিবার কলকাতায় সূর্যকুমার যাদবের দল জিতলেই নিশ্চিত হবে শেষ চারের টিকিট।



