‘ব্যাচেলর রমজান ভাইব’: ফান-কমেডির মাধ্যমে সামাজিক বার্তা

জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ টিমের অংশগ্রহণে এবারের রমজানে বিশেষ একটি কনটেন্ট প্রকাশিত হয়েছে। তাদের মধ্যে আছে কাবিলা, নেহাল, পাশা ও হাবু। পরিচালনা করেছেন যথারীতি কাজল আরেফিন অমি। তাই এর নাম রাখা হয়েছে ‘ব্যাচেলর রমজান ভাইব’। একটি মুঠোফোনের প্রচারণামূলক কনটেন্ট হিসেবে তৈরি করলেও নির্মাতা এতে সামাজিক ও মানবিক বার্তা মিশিয়ে দিয়েছেন।
গল্পে দেখা যায়, ব্যাচেলর হিসেবে দেশের বাইরে বেড়াতে না গিয়ে এতিম বাচ্চাদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করেছে কাবিলা, নেহাল, পাশা ও হাবু। তাদের সঙ্গে আছে স্পর্শ ও জায়েফ।
নির্মাতা অমি বলেন, ‘একাকীত্বে ভোগা যাদের স্বজন নেই, তারা সবাইকে নিয়ে উৎসব উদযাপন করলে দিনটি স্পেশাল হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে আমাদের সমাজে একে অন্যকে সহযোগিতা করার অনুপ্রেরণা পাবে। বিশেষ কনটেন্টে ফান-কমেডির মাধ্যমে মানবিকতা ও নৈতিকতার একটি বার্তা দিতে চেয়েছি।’
‘ব্যাচেলর রমজান ভাইব’-এর গল্পে আরও দেখা যায়, দীর্ঘ সময় একসঙ্গে থাকতে থাকতে কাবিলা-পাশাদের আত্মিক বন্ধনের জন্য ঈদে বাড়ি ফিরতে মন সায় দেয় না! এসব দৃশ্য দেখে আবেগপ্রবণ হয়েছেন অনেক দর্শক। ইমু হোসেন নামের একজনের মন্তব্য, ‘১৪ মিনিটের এই কনটেন্টে কমেডি, ফান, কান্না, শিক্ষা সবই ছিল। চোখ ভিজে গেছে।’
রাশিদুল ইসলাম নামের একজন লিখেছেন, পাশা ভাইয়ের মুখে ‘আমাদের ফ্যামিলিতে হাবু আর আমি ছাড়া কেউ নাই। এতিমগো একাই ঈদ করতে হয়’ সংলাপটি মন ছুঁয়ে গেছে। খুব ইমোশনাল হয়েছি এটা দেখে।’
ওমর ফারুক সুমন নামের একজন নিজের ভাবনা জানিয়েছেন এভাবে, ‘ঈদ কাটাতে সবাই বাড়ি যায়, কিন্তু এতিমদের কেমন লাগে ভেবে দেখেন? তাদের একাকিত্ব একদিনের জন্য হলেও ভুলিয়ে দেয়ার গল্পটি দেখলাম। অল্প সময় হলেও এই কন্টেন্ট দেখে অনেক ভালো লেগেছে, আবেগপ্রবণ হয়েছি।’
মিঠুন নামের একজন লিখেছেন, ‘রমজানের আবহ, বন্ধুত্বের গল্প, হৃদয়ের টান পাওয়া গেছে ‘ব্যাচেলর রমজান ভাইব’-এ। এজন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ।’
জোবায়ের হোসেন নামের একজনের দৃষ্টিতে, ‘ব্যাচেলররা সবাই সুবিধাবঞ্চিতদের সাহায্য করলো, তাদের খুশি করলো। রমজান সত্যিকার অর্থে ধনী-গরিবকে এই শিক্ষা দেয়।’
‘ব্যাচেলর রমজান ভাইব’ দেখা যাচ্ছে বুম ফিল্মসের ইউটিউব চ্যানেলে।



