Uncategorized

স্বর্ণের দাম আবার বাড়লো

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন নির্ধারিত দামে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা; যা আগের দামের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।

এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। অর্থাৎ মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে ভরিপ্রতি দাম বেড়েছে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা।

২১ ক্যারেট ও অন্যান্য ক্যাটাগরির নতুন দাম

বাজুস জানিয়েছে, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা। এছাড়া বিভিন্ন ক্যারেট ও মানভেদে প্রতি গ্রাম স্বর্ণালংকারের দামও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একই দিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দেশের বাজারে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

প্রতি গ্রামে স্বর্ণালংকারের মূল্য (হলমার্ক করা)

২২ ক্যারেট (ক্যাডমিয়াম): ২২ হাজার ৭৫৫ টাকা; ২১ ক্যারেট (ক্যাডমিয়াম): ২১ হাজার ৭২০ টাকা; ১৮ ক্যারেট (ক্যাডমিয়াম): ১৮ হাজার ৬১৫ টাকা; সনাতন পদ্ধতি: ১৫ হাজার ২৩৫ টাকা; রৌপালংকারের নতুন দাম (প্রতি গ্রাম); ২২ ক্যারেট (ক্যাডমিয়াম): ৫৯০ টাকা; ২১ ক্যারেট (ক্যাডমিয়াম): ৫৬০ টাকা; ১৮ ক্যারেট (ক্যাডমিয়াম): ৪৮০ টাকা।

সনাতন পদ্ধতি: ৩৬০ টাকা।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ ও রৌপ্যের (পিওর গোল্ড ও সিলভার) দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বৃদ্ধির কারণে দেশের বাজারেও মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না জানানো পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।

৫ শতাংশ ভ্যাট বাধ্যতামূলক

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

বাজারে প্রভাব কী?

স্বর্ণের দামের এই ধারাবাহিক ঊর্ধ্বগতি বিয়ে ও বিনিয়োগ দুই ক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে যারা স্বর্ণালংকার কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাদের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ আবারও নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে দাম দ্রুত বাড়ায় বাজারে কিছুটা স্থবিরতাও তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সার্বিকভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবেই দেশীয় বাজারে এই সমন্বয়, এমনটাই বলছে বাজুস। এখন দেখার বিষয়, বৈশ্বিক বাজারে দামের প্রবণতা কোন দিকে যায় এবং তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশীয় বাজারে আবারও সমন্বয় আসে কি না।




Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button