কানাডা থেকেও কানেকটেড!

ক্যারিয়ারের চূড়ান্ত যৌবনে সব ফেলে বিদেশে (কানাডা) থিতু হওয়ার ঘটনা এই অঞ্চলে সচরাচর ঘটে না। না মানে না। যেমনটা ঘটিয়েছেন অভিনেতা মিশু সাব্বির।
অনেকেই তার এমন সিদ্ধান্তে আফসোস করেছেন, হয়েছেন বিস্মিত।
এই ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ তারকার অভিনয় অধ্যায়ের ইতি সেখানেই ঘটার কথা ছিলো। কারণ, প্রবাসের বাস্তবতা। কিন্তু এবারও অভিনেতা সবাইকে বিস্মিত করলেন, তবে কাটালেন ভক্তদের আফসোস। ঠিকই ফিরলেন অভিনয়ে। প্রমাণ করলেন অভিনয়ের প্রতি অভিনেতার টান।
যার নজির মেলে, সম্প্রতি কানাডায় নির্মিত একটি ইউটিউব সিরিজ ‘গুড ডিড ব্যাড ডিড’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে। সিরিজটি পরিচালনা করেছেন নিয়াজ কামরান আবির। ইতোমধ্যে এর তিনটি পর্ব উন্মুক্ত হয়েছে, প্রতি শুক্রবার প্রকাশ পাবে একটি করে পর্ব।
প্রবাসী জীবনের সংগ্রাম নিয়ে নির্মিত হয়েছে সিরিজটি। যেখানে বিদেশে নতুন জীবনের শুরু থেকে নানা বাস্তব অভিজ্ঞতার গল্প তুলে ধরা হয়েছে। এ যেন মিশু সাব্বির নিজের অভিজ্ঞতা থেকে প্রবাস জীবনকে তুলে ধরছেন বিশ্বজুড়ে।
টরন্টো থেকে মিশু সাব্বির জানান, দেশ ছেড়ে এলেও মন পড়ে থাকে দেশেই। তাই সুযোগ পেলেই ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন।
অভিনেতার বয়ানে, ‘আমি যেহেতু অভিনয়ের মানুষ, এটা ছাড়া তো থাকা কঠিন। তাই সুযোগ পেলেই চেষ্টা করি অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকার।’
নতুন সিরিজ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা যারা প্রবাসে থাকি এই গল্পটা সবাই নিজেদের সঙ্গে রিলেট করতে পারবে।’
বলা দরকার, গত আড়াই বছর ধরে টরন্টোর একটি টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন মিশু। জানান, চাকরির পাশাপাশি অভিনয়ে ক্রমশ নিয়মিত হচ্ছেন। ভালোই আছেন সেখানে।
এদিকে মিশু সাব্বির শুধু কানাডার কাজে আটকে নেই। দেশের কাজেও নিজেকে যুক্ত রেখেছেন। কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর পঞ্চম সিজনে নিয়মিতই দেখা যাচ্ছে তাকে। দেশে না থাকায় কানাডা থেকেই ভিডিও কলের মাধ্যমে শুটিং-এ অংশ নিচ্ছেন তিনি।
মিশু সাব্বির বললেন, ‘‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ আমাকে অন্যরকম ভালোবাসা দিয়েছে। সিজন ফাইভ-এ তো শুরু থেকেই আছি আমি। ভিডিও কলের মাধ্যমে যুক্ত থাকি। কানাডা থেকেই আমি ভিডিও শুট করে পাঠাই। নতুন সিজনের মাধ্যমে দর্শকের ভালোবাসায় রয়েছি। তবে টিমের সবাইকে মিস করি। একসঙ্গে কাটানো সময়গুলো খুব মিস করি।’’অভিনেতার ইচ্ছা, প্রবাস জীবন ও চাকরি যতই কঠিন হোক, অভিনয়ের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে রাখবেন সবসময়। জানান, দর্শক আগ্রহই তার এই প্রতিজ্ঞার প্রাণ।



