Uncategorized

দুই আসনের ব্যালট পেপার-রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ

রাজশাহী-৪ ও পাবনা-৪ আসনের ব্যালট পেপার ও ফলাফলের শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১১ মে দিন ধার্য করা হয়েছে।

রবিবার (১ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়। আর দুটির ওপর শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি অনিয়মের বিরুদ্ধে আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন।

হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় এ বেঞ্চে অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারের সঙ্গে দেখা গেছে, ২০০১ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ মোতাবেক ‘নির্বাচনি’ আবেদনপত্র; যেসব বিষয় এ বেঞ্চে স্থানান্তরিত হবে এবং উপরোল্লিখিত বিষয়াদি সংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করবেন।

যে চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে, সেগুলো হলো– শেরপুর-১, ঢাকা-৬ ও ৭ এবং গাইবান্ধা-৪।

আবেদনকারী চার প্রার্থী হলেন– শেরপুর-১ আসনে বিএনপির সানসিলা জেবরিন, ঢাকা-৬ আসনে জামায়াতের মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতের মো. এনায়াত উল্লা ও গাইবান্ধা-৪ আসনে জামায়াতের মো. আবদুর রহিম সরকার।

আদালতে জামায়াতে ইসলামীর তিন প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। বিএনপির প্রার্থী সানসিলা জেবরিনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রাহেমীন চৌধুরী।

শেরপুর-১ আসনের ফলাফল বাতিল এবং আবার নির্বাচন চেয়ে আবেদনটি করা হয়েছিল। হাইকোর্ট আবেদন শুনানির জন্য ২০ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন। এর মধ্যে বিজয়ী প্রার্থীসহ বিবাদীদের প্রতি নোটিশ জারি করতে আদেশ দিয়েছেন।

ঢাকা-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. এনায়াত উল্লা, গাইবান্ধা-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. আবদুর রহিম সরকারের আবেদন তিনটি গ্রহণ করে শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। তিনটি আবেদনের ওপর ৩ মে ও ১০ মে শুনানির দিন রেখেছেন।

আবেদনকারীদের আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির বলেন, আমরা ঢাকা-৬, ঢাকা-৭ এবং গাইবান্ধা-৪ নিয়ে গেলাম। আদালত শুনলেন। আমরা বেশকিছু জিনিস দেখালাম। তার মধ্যে একটা হলো, ফলাফল শিট। এ ফলাফল শিটের নিচে কি লেখা আছে? পোলিং এজেন্টের নাম দেওয়া আছে? এখানে কোনও ইলেকশন কমিশনের সিল নাই। এবার আরেকটা দেখেন। এইটা দেখেন, এটাও এ জিনিসটা…। একটা ফলাফল শিট দুই রকম হতে পারে না। এটা ছিল প্রথম জিনিস। দ্বিতীয় হলো, দেখানোর সময়, সেটা হচ্ছে, পেন্সিল দিয়ে লেখা। একাধিক জায়গায় পেন্সিল দিয়ে লেখা। এছাড়া সেন্টার নম্বর লেখা থাকার কথা। এটা কোন সেন্টারের? সেই সেন্টারের নামই লেখা নেই। এ লেখাটা থাকার কথা হচ্ছে প্রিন্টেড। এগুলো দেখার পরে আদালত সন্তুষ্ট হলেন এবং সবগুলো অ্যাডমিট করে নোটিশ ইস্যু করলেন।




Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button