ঈদ উৎসবে বিশ্বরঙ

রমজান মানে শুধু সংযম নয় এটি আত্মার পরিশুদ্ধি, সরলতায় ফিরে যাওয়ার এক নীরব আহ্বান। সরলতার সেরা আয়োজন প্রকৃতিতে। প্রবল অস্থিরতার ভেতর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে মানুষ একসময় ক্লান্ত হয়- শব্দে, গতিতে, প্রতিযোগিতায়। তখনই স্থিরতার ডাক আসে। সেই ডাক আসে প্রকৃতির কাছ থেকে। প্রবল অস্থিরতা থেকে স্থিরতায় ফেরা এক ধরনের নিরাময়। সাফল্যের সংজ্ঞা বদলে যায়, শান্ত থাকাটাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় অর্জন। প্রকৃতির মতোই রমজান মাস শেখায় মিতব্যয়িতা, স্থিরতা এবং অন্তরের সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দিয়ে উৎসব উদযাপন।
উৎসব-পার্বণ উদযাপনে বিশ্বরঙ সবসময়ই অগ্রপথিক। তাই উৎসব-পার্বণে নতুন ট্রেন্ড নিয়ে কাজ করা বিশ্বরঙ-এর স্বভাবসিদ্ধতা সুদীর্ঘ ৩১ বছর ধরে। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটছে না ঈদ উল ফিতরকে ঘিরে। ফ্যাশন সচেতন ব্যক্তিদের জন্য বিশ্বরঙ নিয়ে এসেছে নতুন নতুন সব ট্রেন্ডি ডিজাইন। দেশীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে আন্তর্জাতিক চলের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে প্রকৃতির বিভিন্ন ফর্মের সাথে গ্রাফিক্যাল বাহারি নকশা ও বৈচিত্র্যময়তায় উপস্থাপন করেছে বিশ্বরঙ ঈদ উল ফিতরের বাহারি আয়োজন।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কর্তা ফ্যাশন ডিজাইনার বিপ্লব সাহা জানান, এবারের আয়োজনে পোশাকের প্যাটার্নে এসেছে ভিন্নতা, প্রতিটি ডিজাইনে থাকছে প্রশান্তির ছোঁয়া। রঙের ব্যবহারে অফহোয়াইট, সাদা, লাল, মেরুন, গোল্ডেন সহ মাটির রঙ, পাতার সবুজ, আকাশের নীল রঙের পরিমিতিবোধ লক্ষ করা যায় সবগুলো পোশাকে।
পোশাকগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে ধুপিয়ান সিল্ক, জয় সিল্ক, তসর সিল্ক, সফট সিল্ক, কাতান, ভেলভেট ছাড়াও বিভিন্ন রকম অর্নামেন্টেড কাপড়। কাজের মাধ্যম হিসাবে এসেছে এমব্রয়ডারি, জারদৌসী, কারচুপি, কাটওর্য়াক, স্ক্রিন প্রিন্ট সহ মিশ্র মাধ্যমের নিজস্ব বিভিন্ন কৌশল।
প্রথম রমজান থেকে চাঁদরাত পর্যন্ত বিশ্বরঙ-এর সকল শোরুমে চলছে বিশ্বরঙ ঈদ আয়োজনের প্রদর্শনী।



