Uncategorized

পাকিস্তান সিরিজকে অধিনায়কত্বের পরীক্ষা হিসেবে দেখেন না মিরাজ 

বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে মেহেদী হাসান মিরাজের সামনে ছয়টি ওয়ানডে ম্যাচ রয়েছে। বুধবার থেকে পাকিস্তানের বিপক্ষে শুরু হতে যাওয়া তিন ম্যাচের সিরিজ দিয়ে যার শুরু। এরপর এপ্রিল মাসে ঢাকায় তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে আসবে নিউজিল্যান্ড। তবে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠের এই সিরিজগুলোকে নিজের অধিনায়কত্বের ‘পরীক্ষা’ হিসেবে দেখছেন না মিরাজ।

দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সমালোচনার মুখে রয়েছেন স্পিনিং অলরাউন্ডার। তার অধিনায়কত্বে দল এখন পর্যন্ত ১৩টি ওয়ানডে খেলেছে। এর মধ্যে জয় এসেছে মাত্র তিনটিতে, হার ৯টি এবং একটি ম্যাচের ফল হয়নি। এই সময়ে ব্যাট-বল দুই বিভাগে মিরাজের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সও খুব উজ্জ্বল নয়। ১৩ ইনিংসে তিনি ৩৯১ রান করেছেন, গড় ৩২.৫৮ এবং স্ট্রাইক রেট ৭২.৪০। বোলিংয়েও আগের তুলনায় কম কার্যকর ছিলেন। ১৩ ইনিংসে নিয়েছেন মাত্র ১৩ উইকেট।

সামনে আরেকটি সিরিজ আসায় এসব নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও মিরাজ বলেছেন, নিজের পারফরম্যান্স কিংবা অধিনায়কত্ব নিয়ে তিনি মোটেও চিন্তিত নন। 

ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে মঙ্গলবার তিনি বলেছেন, ‘দলে একজন অধিনায়ক দরকার বলেই অধিনায়কত্ব থাকে। কিন্তু আমার মনে হয়, যাকেই অধিনায়ক করা হোক, তাকে যদি সময় দেওয়া হয় তাহলে দলকে আরও সুন্দরভাবে গড়ে তোলা যায়। আমার কাছে এটি কোনো পরীক্ষা নয়। দলের প্রয়োজন অনুযায়ী আমি ভালো করার চেষ্টা করবো।’
 
তার এক বছরের অধিনায়কত্বের চুক্তি জুনে শেষ হওয়ার কথা। সেটি বাড়ানো হবে কি না—এমন প্রশ্নে মিরাজ বলেছেন, ‘দেখুন, এটি শুধু আমার সিদ্ধান্ত নয়। এটি বোর্ডের সিদ্ধান্ত।’

নিজের অধিনায়কত্বে হওয়া ম্যাচ নিয়েও কথা বলেছেন মিরাজ। তবে তার কাছে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পাকিস্তান সিরিজ, ‘প্রথম দুটি সিরিজ আমাদের ভালো যায়নি, আমরা হেরেছি। তবে শেষ সিরিজে ম্যাচ জিতেছি এবং সিরিজও জিতেছি। তাই এই সিরিজটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। শুধু আমার জন্য নয়, বাংলাদেশের জন্যও। সামনে বিশ্বকাপ রয়েছে। তাই বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যোগ্যতা অর্জন করা।’

সাম্প্রতিক ওয়ানডে ফলাফল নিয়ে দলের পক্ষেই কথা বলেছেন মিরাজ। তার মতে, শেষ বিশ্বকাপের পর থেকে নিয়মিতভাবে ওয়ানডে সিরিজ খেলার সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ, ‘বিষয়টা নিয়ে আমি মোটেও চিন্তিত নই। শেষ বিশ্বকাপের পর আমরা কতগুলো সিরিজ খেলেছি? হয়তো প্রায় ১৫টি ওয়ানডে (২৩টি ম্যাচ)। সেগুলোর মধ্যেও বড় বিরতি ছিল। তাই মানুষ যে প্রত্যাশা করে, আমি অনেক ম্যাচ জিতিয়ে দেবো, সেটা হয়তো পুরোপুরি পূরণ হচ্ছে না, হয়তো মাঝামাঝি অবস্থায় আছে। তবে অবশ্যই আমি দলের জন্য ম্যাচ জেতানোর চেষ্টা করবো।’




Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button