রেশনিং তুলে পেট্রোল-অকটেন সরবরাহ উন্মুক্তের দাবি

পেট্রোল ও অকটেনের ডিপো পর্যায়ের সরবরাহ দ্রুত উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটর, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির দাবি, এই দুই জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক করা হলে পেট্রোল পাম্পে তৈরি হওয়া ভিড় কমবে এবং মানুষের উদ্বেগও অনেকটা কমে যাবে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সংগঠনটির আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুলেই সই করা চিঠিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানের কাছে এই দাবি জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, বর্তমানে পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন ডিপো থেকে পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহে প্রায় ২৫ শতাংশ রেশনিং করা হচ্ছে। এতে অনেক পাম্পে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি পৌঁছাচ্ছে না। একই সঙ্গে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ায় অনেক জায়গায় জ্বালানি নিতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
সংগঠনটির মতে, পেট্রোল ও অকটেনের বড় একটি অংশ দেশেই উৎপাদিত হয়। তাই ডিপো পর্যায়ে এই দুই জ্বালানির সরবরাহ উন্মুক্ত করা হলে পাম্পগুলোর ওপর চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থাও ফিরবে। এতে বর্তমান সমস্যার প্রায় ৮০ শতাংশ সমাধান সম্ভব বলে তারা মনে করে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, পেট্রোল ও অকটেনের রেশনিং চালু থাকলে বর্তমান পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি সম্ভব নয়। তাই দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য জানাতে আগামীকাল বুধবার (১১ মার্চ) দুপুর ১টায় রাজধানীর মালিবাগে স্কাইসিটি হোটেলে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির সভাপতি নাজমুল হক এই তথ্য জানান।



