তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরের দাবি

তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জাতীয় সংসদে আইন হিসেবে পাস করার দাবি জানিয়েছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা)। সংগঠন দু’টির মতে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাকজনিত মৃত্যু কমাতে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই অধ্যাদেশটি আইন হিসেবে পাস হওয়া জরুরি।
বুধবার (১১ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠন দু’টি এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তামাক ব্যবহারের কারণে বছরে প্রায় দুই লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করে। তামাক ব্যবহার ও উৎপাদনে স্বাস্থ্য এবং পরিবেশের ক্ষতি বছরে ৮৭ হাজার কোটি টাকা। তামাক খাত থেকে অর্জিত রাজস্বের চেয়ে এ ক্ষতি দ্বিগুণেরও বেশি। বর্তমানে ৩৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করছেন। এ পরিস্থিতিতে শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর করা না হলে জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ওপর তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব আরও বাড়তে থাকবে।
বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার তাদের নির্বাচনি ইশতেহারেও তামাক ব্যবহারজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আইনি উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশটি আইন হিসেবে পাস করা হলে নতুন প্রজন্ম নিকোটিন পণ্য ব্যবহার শুরু করতে পারবে না এবং তারা সবধরনের তামাকপণ্য ব্যবহারে নিরুৎসাহিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন দৈনিক জনকণ্ঠের চিফ রিপোর্টার কাওসার রহমান, ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের হেড অফ অনলাইন (বাংলা) মো. মনির হোসেন লিটন, আত্মার কনভেনর মর্তুজা হায়দার লিটন ও কো-কনভেনর মিজান চৌধুরী, এবং প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়েরসহ বিভিন্ন তামাকবিরোধী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।



