Uncategorized

গাইবান্ধায় সেপটিক ট্যাংকে স্কুলছাত্রীর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নদীতে যুবকের লাশ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে নুরমা খাতুন (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তিতাস নদী থেকে মোহাম্মদ আলী (২৮) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে গোবিন্দগঞ্জের তালুককানুপুর ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া গ্রাম ও বাঞ্ছারামপুরের থানা ঘাটের পাশে তিতাস নদী থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়। 

এর মধ্যে নিহত মোহাম্মদ আলী উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নোর হোসেনপুর গ্রামের নজরুল মিয়ার ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকালে তিতাস নদীতে লাশটি ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। মোহাম্মদ আলী গত তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। তিনি মানসিক প্রতিবন্ধী।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ ইয়াছিন মিয়া বলেন, ‘লাশ উদ্ধারের পর পরিবারের সদস্যরা এসে শনাক্ত করেন। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এদিকে, নিহত নুরমা খাতুন স্থানীয় কৃষক নজরুল ইসলামের মেয়ে এবং তালতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকেই নুরমা নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাননি। বিকালে প্রতিবেশী হযরত আলীর বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে তার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের বাবা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দুপুরে মেয়ে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। সব জায়গায় খোঁজ নেওয়ার পরও সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে প্রতিবেশীর বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। আমার মেয়েকে হত্যা করে লাশ গুম করার চেষ্টা করা হয়েছে। কারা এ ঘটনায় জড়িত, তা আমি জানি না।’

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।’

 




Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button